মোহাম্মদের জন্মের ইতিহাস এবং মোহাম্মদের ইসলাম প্রচারের  বর্বর এবং ঘৃণিত ইতিহাস

ইসলামের নবী মহম্মদের আব্বা আবদুল্লাহ মারা যাবার আড়াই বছর পরে মহম্মদের জন্ম হয়েছিল। এই অবস্থায় লোকেনানারকম কথা বলতে পারে, মুহাম্মদকে জারজ সন্তান বলতে পারে, সেই ভয়ে শিশু মহম্মদকে সরিয়ে ফেলা হয়। দূরগ্রামের হালিমা নামক এক মহিলার কাছে মহম্মদকে রেখে আসা হয়েছিল। যখন পড়াশুনা শুরু করার মতো বয়স হলতখন তাকে আবার মক্কায় ফিরিয়ে আনা হল। ততদিনে মহাম্মদকে জারজ সন্তান বলার ইস্যু ঠান্ডা হয়ে গেছে।সময়থাকতে চালাকি করে মোহাম্মদের বাপের পরিচয় নাই বলে সরিয়ে দেয়াতে এই ইস্যু নিয়ে লোকে আর কথা বলে নি।এভাবেই মোহাম্মদের জন্মপরিচয় গোপন করা হয়েছিলো। যদিও মক্কার লোকেরা আড়ালে মহম্মদকে আপনা-আপনিগজানো পাহাড়ি আগাছা বলে উল্লেখ করত। কুরআনে মুহাম্মদকে মুত্তালিবের পুত্র বলা আল্লার মরজিতে যে যেখানেইচ্ছা জন্মাতে পারে, সেটা আজকের যুগে তেমন আলোচনার বিষয় নয়। কিন্তু সেই সময়ে, প্রধান পুরোহিতের বংশধরহওয়া সত্ত্বেও, মক্কার মন্দির বা দেবতাদের সম্পত্তিতে মুহাম্মদের কোনো আইনি অধিকার ছিল না। প্রধান পুরোহিতেরবংশধরদের যে বিষয়গুলো অধ্যয়ন করতে হতো, মুহাম্মদকে তা শেখানো হয়নি। এ কারণেই ইসলামের ইতিহাসেমুহাম্মদকে নিরক্ষর বলা হয়। একারণেই তিনি শুরু থেকেই নিজের পরিবারের ধর্মের প্রতি কিছুটা ক্ষুব্ধ ছিলেন।

খাদিজাকে বিয়ে করে ঘরজামাই হওয়ার পর, খাদিজা অনেক বড়লোক টাকাওয়ালা ব্যাবসায়িক মহিলা ছিলেন।মোহাম্মদ ছিল গরিব। নিজের থেকে বয়সে অনেক বড় মহিলাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্য ছিল খাদিজার টাকা। কারনমুহম্মদ জানতেন নিজের অস্তিত্ব ধরে রাখতে হলে তার টাকার প্রয়োজন। মুহাম্মদ যখন ব্যবসার কাজে বিদেশে যেতেশুরু করলেন, তখন তিনি দেখলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ যীশুর ধর্মের  পিছনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে, যাঁর কোনোপিতৃস্থানীয় ঠিকানা ছিল না। অর্থাৎ যীশুকে ঈশ্বরের পুত্র বলা হয় কিন্তু যীশুর জন্মগত পিতা নাই। যেহেতু মুহাম্মদমক্কার ধর্মে একজন ধর্মীয় নেতা হওয়ার সুযোগ পাননি, তাই তিনি আব্রাহামের ধর্মকে কিছুটা বেশি পছন্দ করলেন।তিনি খাদিজার খ্রিস্টান ভাই নওফেলের সাথে আব্রাহামের ধর্ম নিয়ে অধ্যয়ন শুরু করলেন। একটি প্রাথমিক ধারণাতৈরি হওয়ার পর, তিনি নিজেকে আব্রাহামের ধর্মের নবী বলে দাবি করলেন। সেই সময়ে, নবী হওয়াটা কোনো বড়ব্যাপার ছিল না। যেকোনো বড় শহরে এমন অনেকেই ছিলেন যারা নিয়মিত কোনো না কোনো দেবতার কাছ থেকে বার্তাপেতেন। এমনকি বহুঈশ্বরবাদের দেশ ভারতেও লক্ষ লক্ষ মানুষ আছেন যারা কোনো না কোনো দেবতার সাথে সরাসরিযোগাযোগের দাবি করেন। এমনকি পৌত্তলিক আরবেও, স্বপ্নে কোনো দেবতার কাছ থেকে আদেশ পাওয়া খুবইস্বাভাবিক ছিল। কেউ অবিশ্বাস করত না। মুহাম্মদের যুগটা আজকের সময়ের মতো  এরকম  টিভি, সোশাল মিডিয়া এবং ইন্টারনেটের যুগ ছিল না। তাহলে এই ধাপ্পাবাজি ধরা পরে যেতো। ধর্মকে নিয়ে ব্যাবসা করার এক বিরাট কারবার পরিকল্পনা করেন যেমন ভণ্ডরা, ঠিক সেই রকম ব্যাবসার ফাঁদ পেতে বসে লোকে, ঠিক সেরকম ছিল বিষয়টা।

 ধর্মান্ধ মানুষেরা আজও মনে করে , হাতের কাছে একজন ধর্মীয় নেতা থাকা নানাভাবে খুব উপকারী। মানুষ তাঁকেসততার প্রতীক হিসেবে বিশ্বাস করে। তাই মুহাম্মদকে আল্লাহর নবী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ব্যাপারে খাদিজা বিবিরকোনো আপত্তি ছিল না। যেহেতু খাদিজার আশ্রয়ে বেঁচে থাকা নওফেলের আর কোনো উপায় ছিল না, তাই তিনিমুহাম্মদকে আল্লাহর নবী হিসেবে স্বীকৃতি দেন। কিন্তু তিনি নিজে কখনো মুহাম্মদের ধর্ম গ্রহণ করেননি। এর থেকেই যাবুঝবার বোঝা যায়। মোক্ষম সুযোগের অপেক্ষায় থেকে মুহাম্মদ চালাকির সাথে ইসলাম প্রচার করা শুরু করেন। নওফেলের মৃত্যুর পর কিছু সময়ের জন্য আল্লাহর আয়াত অবতীর্ণ হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এরপর মুহাম্মদ একজনখ্রিস্টান ক্রীতদাস বালককে খুঁজে পান এবং তাকে নিজের দত্তক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করেন। আবারও আল্লাহ্‌র  আয়াতঅবতীর্ণ হতে শুরু করে।মানে মোহাম্মদের যখন ইচ্ছা হয় ঠিক তখন আল্লাহ্‌র আয়াত অবতীর্ণ হতো। মোহাম্মদের মর্জি মতো হতো। যখন যেভাবে ইচ্ছে, তার পছন্দ মতো ধর্মের নামে এই সব আয়াত নাজিলের কথা বলতেন। কিন্তু কেউ কোন প্রমাণ দেখে নি। কারন মোহাম্মদ জানতেন কিভাবে  ধর্ম বিশ্বাসের নামে মানুষকে বোকা বানানো যায়। যেভাবে বাংলাদেশে ভণ্ড ইসলামের হুজুররা মানুষকে বোকা বানায়। এদের সাথে রাজনৈতিক ইসলামিক দল গুলো আছে। যেমন জামায়েত ইসলাম, হেফাজত ইসলাম, খেলাফতে মজলিস, শিবির, আর মৌলবাদী জনগণ।

প্রাথমিকভাবে, মক্কায় মুহাম্মদের ইসলাম ছিল সবাইকে খুশি করার একটি প্রচেষ্টা। ইহুদি ও খ্রিস্টানরা যদি নবী হতে চায়, তবে পৌত্তলিকদের তাদের কিছুটা সমালোচনা করতেই হতো। কিন্তু খাদিজা জীবিত থাকাকালীন ইসলামে একজন পুরুষের চার বিবাহ, তিন তালাক বা স্ত্রীকে প্রহারের ধর্ম প্রচার করা সম্ভব ছিল না মুহাম্মদের। তাকে খাদিজার মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিলো। এরপর তার চাচা আবু তালিব মারা যান এবং তার উত্তরাধিকারীরা যা কিছু পারলেনতাই নিয়ে নিলেন। মক্কার মন্দিরের সম্পত্তিতে অংশ পাওয়ার মুহাম্মদের আশা শেষ হয়ে যায়। খাদিজার মৃত্যুর পরব্যবসাও বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে, মক্কায় ১২ বছর ধর্মপ্রচার করা সত্ত্বেও তিনি যথেষ্ট সংখ্যক  ইসলাম ভক্ত মানুষ পাননি।এর ফলে, মুহাম্মদ পৌত্তলিকদের খুশি রাখার দায়িত্ব পুরোপুরি ত্যাগ করলেন এবং তাঁর মনোযোগ ইব্রাহিমীয়সম্প্রদায়ের দিকে ফেরালেন। তিনি মক্কার পৌত্তলিকদের উপর তাঁর গালিগালাজ আরও বাড়িয়ে দিলেন। তিনি মদিনারদিকে মনোযোগ দিলেন এবং তাদের খুশি করার জন্য ইহুদি মন্দিরের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করতে শুরু করলেন।আল্লাহ এতে মোটেই আপত্তি করলেন না। কিন্তু আজকাল ইহুদীদের কথা আসলে মুসলিমদের চরম ঘৃণা দেখি। আজকাল মুসলিমরা আল্লাহ্‌র নামে  এই ইহুদী, হিন্দু, নাস্তিক, সমকামী, LGBT সম্প্রদায়, খ্রিষ্টানদের কাফেরের নাম দিয়ে হত্যার কথাও বলে। ভণ্ডামির চরম সীমানায় পৌঁছেছে এই ইসলাম ধর্ম।

মোহাম্মদের ইহুদি মন্দিরকে কিবলা করার পরেও দেখা গেল যে, তারা মুহাম্মদকে নবী হিসেবে গ্রহণ করতে ইচ্ছুক ছিলনা। কিছু ইহুদিকে যুদ্ধের মাধ্যমে জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল।যা এখনো করে আসছে কঠোর ইসলাম ধর্ম।  কিছু ডাকাত লুটের লোভে মুসলমান হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এই সাফল্যের সাথে ইহুদি কিবলার দিকে মুখ করেপ্রার্থনা করার কোনো সম্পর্ক ছিল না। যখন মুহাম্মদ বুঝতে পারলেন যে এই ধরনের নাটক করে কোনো লাভ নেই, নবীহিসেবে তাঁকে কখনোই ইহুদি মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না, তখন তিনি মক্কার দিকে ফিরে গেলেন এবং নামাজ পড়তে  শুরু করলেন। মক্কা থেকে আগেই ভেঙ্গে  দিলেন সকল মূর্তি। এরপর দলবল নিয়ে যুদ্ধে নামলেন। মানুষ মারলেন। যুদ্ধ বন্দীদের হত্যা করলেন। নারীদের ধর্ষণ করলেন। যৌন দাসী বানালেন।নগ্ন করে নারীদের বাজারে বিক্রি করলেন ক্রীতদাসী হিসেবে। এই অপরাধের কোন শেষ নেই। যা আজও এই বর্বর মৌলবাদী মুসলিমরা করে আসছে। ইসলামের নামে হত্যা করছে মানুষ।