আমরা একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারি সেই আদিকাল থেকেই মেয়দের কে সব বেপারে দোষী করার বা ছোট করার একটা নিয়ম ছলে আসছে। কিছু কিছু ধর্ম বা মানুষ বিশ্বাস করে যে আদম ও হাওয়া (আ:) থেকে মানব জাতির সৃষ্টি . তবে অনেক মুসলিম বা অমুসলিমরা তারা বিশ্বাস করে যে, তারা হাওয়া (আঃ ) কে দাই মনে করে মানবজাতির পতনের কার। ...

ঘরে, বাইরে প্রতিটি ক্ষেত্রেই নারীরা বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার। দেশে মজুরীর ক্ষেত্রেও নারীরা চরম বৈষম্যের শিকার। চাকরি ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তাও কম। বিশেষ করে বেসরকারি খাতে। আবার নিপীড়নের মাত্রা বেশি নারীদের। গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে শ্রমিক নিপীড়ন বেড়েছে। বিশেষ করে নারী শ্রমিকরা অপেক্ষাকৃত বেশি নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। এক গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশের গার্মেন্টের বেশিরভাগ শ্রমিক নিয়োগ পত্র পায় না, যার ৮০% নারী। অপরদিকে, ...

সামাজিক বাধা পেড়িয়ে বৈশ্বিক উন্নতির সাথে তাল মিলিয়ে দিনে দিনে সব ধরনের কর্মকাণ্ডে বাড়ছে আমাদের দেশের নারীদের অংশগ্রহণ। পুরুষের পাশাপাশি আজ দেশের সব সেক্টরে নারীদের জয় জয়কার। নারীরা এখন বিচরণ করছেন দেশের সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত। আমরা দাবি করি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বৃত্ত ভেঙে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্ত সেই জরীপ করলে দেখা যাবে খুব কম সংখ্যক নারীই নানা ধরনের বাধা পার হওয়ার ...

আজকের নারীরা চার দেয়ালের ঘেরাটোপ ভেঙে পুরুষের সঙ্গে সমানতালে অফিস-আদালতে কাজ করছেন। ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকে ব্যবসা বাণিজ্যসহ নানান আয়বর্ধক কাজে অদম্য উৎসাহে এগিয়ে চলার চেষ্টা করছেন। নারীরা এখন পরিবার, সমাজ এমনকি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে নিয়োজিত। এতকিছুর পরেও পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এখনো বদলায়নি নারীদের প্রতি পুরুষের মানসিকতা। এ কারণেই কর্মক্ষেত্রে নারীরা এখনো নিপীড়নের শিকার হন, মুখোমুখি হন ব্যক্তিগত নানা বিড়ম্বনার। স্বাধীনতার ...

দেশব্যাপী কন্যা শিশু এবং নারীদের উপর নির্যাতন বেড়েই চলেছে। বাবা-মায়েরা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় এবং কুরআনের শিক্ষায় শিক্ষিত করার উদ্দেশ্যে মাদ্রাসায় পাঠানোর কারণে তাদের উপকারের বদলে অনেকেই আজীবনের জন্য একটা বিষাক্ত স্মৃতি নিয়ে বাড়ি ফিরছে। এর কারণ হচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষক দ্বারা নির্যাতিত, ধর্ষিত হচ্ছে তারা। জয়পুরহাট সদর উপজেলায় একটি নুরানী মাদ্রাসায় চারজন কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনে তাদের অভিভাবকরা মামলা দায়ের ...

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নারীদের অধিকার যখন খর্ব হচ্ছে, তখন বিশ্লেষণে জানা যায়,‘নারী’ বলেই সে বঞ্চিত, নিপীড়িত। নারী নিপীড়ন বিভিন্ন ধরনের। কিন্তু সব নিপীড়নেরই কারণ একটি। আর তা হলো সে নারী আর নারী বলেই সে হবে নির্যাতিত। প্রচলিত সামাজিক বিশ্বাস ও কুসংস্কার নারীকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আবদ্ধ রেখে প্রমাণ করতে চায়, নারী মানুষ নয়। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা পুরোপুরি সমাজ আরোপিত। ...

বাংলাদেশে নারীবাদ সম্পর্কিত নানা ধরণের ভুল ধারণা আছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, নারীবাদীরা শার্ট-প্যান্ট পরবে, তারা ছোট চুল রাখবে, সিগারেট খাবে, নারীবাদীরা পুরুষ বিদ্বেষী, তারা পরিবার বিদ্বেষী, বিয়ে বিদ্বেষী ইত্যাদি। নারীবাদকে আসলে নারী-পুরুষসহ সব ধরণের বিষয় থেকে আলাদা করে দেখা হয়। ‘অধিকার, স্বাধীনতা, আত্মপরিচয়’ – শব্দগুলো নিয়ে নারীরা কথা বললেই বলা হয় মেয়েটা নারীবাদী। আসলে নারীবাদী বিষয়টির ব্যাপ্তি অনেক। একজন মানুষ ...

নারীর প্রতি সহিংসতা অন্যান্য আরও দশটা  সমস্যাগুলোর মতোই গুরুত্ব বহন করে। এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও আমরা বলতে পারি না যে, নারীরা সুরক্ষিত। আমাদের নারীরা রাস্তাঘাটে, অফিসে এমনকি বাড়িতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজের কাজ করতে পারছে- এমন দাবিও আমরা করতে পারি না। উন্নয়নের সাথে তাল মিলিয়ে যেন নারীর প্রতি সহিংসতাও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ যেন আরেক মহামারি। এর শেষ কোথায়? আদৌ কি এর ...

স্বামীর আাদরযত্নে পালিত, সুখী সুখী চেহারার আদতে পুতুল বউদের দেখে কেন যেন দাসপ্রথার চেহারা ভেসে ওঠে। পুরুষতন্ত্র কত কৌশলেই না নারীর পায়ে শিকল পরায়। কখনও সেই শিকলের নাম ‘গহনা’, কখনও ‘প্রেম’, কখনও ‘মানসম্মান’, কখনও ‘সন্তান’, কখনও ‘সংসার’। নারী সেসব শিকল পরে দিব্যি আনন্দে ঘোরে-ফেরে আর ভাবে বাহ্‌! আমি কত সুখে আছি। কোনো মানুষ যদি অন্য কোনো মানুষকে সত্যিকারভাবে ভালোবাসে তাহলে ...

আপাতদৃষ্টিতে গত দুইশো বছরে নারীর অনেক অর্জন আছে। তারপরও পুরুষতন্ত্রের সর্বগ্রাসী ও কর্তৃত্ববাদী সমাজ নারীকে সব সময়ই পেছনে টেনে ধরে রাখছে এবং ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা এখনো চালাচ্ছে। আমরা যদি পুরুষতন্ত্র নিয়ে কথা বলতে চাই তাহলে প্রথমেই আমাদের ‘তন্ত্র’ কথাটির মানে জানতে হবে। ‘তন্ত্র’কথাটির আভিধানিক অর্থ ব্যবহার, নিয়মাদি, পরিবীক্ষণ বা শাসন। মানুষ যখন দলবদ্ধ হয়ে থাকতে শুরু করল অর্থাৎ গোষ্ঠী ...