মামুনুলের পিতা ছিল স্বাধীনতা বিরোধী

স্বাধীনতা বিরোধীদের পুত্রদের আস্ফালনে দেশের পরিচয় হুমকির মুখে। আল্লামা মামুনুল হক নামের এক উগ্র উন্মাদ আর ফয়জুল করিম নামের এক মিথ্যুকের কারণে দেশে আবার উগ্রবাদী রাজনীতির পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।

আল্লামা মামুনুল হকের পিতা ছিলেন আল্লামা আজিজুল হক। তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলেন, সেটা স্বাধীনতার আগেও পরেও৷

সাপ্তাহিক বিচিত্রায় আজিজুল হকের একটা সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছিল। সেখান থেকে চৌম্বকাংশ-

“বিচিত্রা: মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের সম্মান জানানোর জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘শিখা চিরন্তন’। আপনারা এর বিরোধিতা করছেন কেনো?

আ.হ: এইগুলা ফালতু কথা। ঐহানে আগুন-পূজা করতাছে। এইডা মহাপাপ শিরিকি। ক্ষমার যোগ্য না”

“বিচিত্রা: এবার আমরা একটু অন্য প্রসঙ্গে যাই। আপনি ৭১-এ কোথায় ছিলেন?

আ.হ: তেমন কিছু না। নিরপেক্ষ ছিলাম।

বিচিত্রা: কিছুই করতেন না?

আ.হ: না। ৭১ এ আমগো অবস্থান ছিলো নিরপেক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে। আমরা কখনোই চাই নাই পাকিস্তান ভাইঙ্গা বাংলাদেশ স্বাধীন হোক।”

সাক্ষাৎকারটা ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালের।

চরমোনাই পীরের (বর্তমান পীরের পিতা) ব্যাপারে বিভিন্ন বইয়ে আছে তিনি পাকিস্তানিদের সাহায্য সহযোগিতা করেছেন।

জঙ্গি মামুনুল হকরা চায় বাংলাদেশে তালেবানি শাসন কায়েম করতে। চরমোনাই পীর গণতান্ত্রিক উপায়ে দেশের ক্ষমতায় গিয়ে দেশে খেলাফত কায়েম করতে চায়। এরা সিস্টেমেটিকালি দেশের বিভিন্ন পেশার, ধর্মের লোককে সন্ত্রস্ত করতে। ডাক্তার, শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, প্রগতিশীল, আর বিধর্মীদের ভয় দেখানো, বিষোদগার করা এদের কাজ।

সরকার একসময় এদের কোলে বসিয়েছিল। এখন এরা সাপের মত ছোবল দিতে চাচ্ছে। মুহাম্মদীয় সাপ।

দেশের এমনই দূর্দিন চলে আসছে যে স্বাধীন দেশে স্বাধীনতাবিরোধীরা shots call করবে, আর দেশ সে মতে চলবে! এমন তো হবার কথা ছিল না!