ছেলেরা একের অধিক বিয়ে করতে পারলে মেয়েরা কেন পারবেনা

 

আমরা একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারি সেই আদিকাল থেকেই মেয়দের কে সব বেপারে দোষী করার বা ছোট করার একটা নিয়ম ছলে আসছে। কিছু কিছু ধর্ম বা মানুষ বিশ্বাস করে যে আদম ও হাওয়া (আ:) থেকে
মানব জাতির সৃষ্টি . তবে অনেক মুসলিম বা অমুসলিমরা তারা বিশ্বাস করে যে, তারা হাওয়া (আঃ ) কে দাই মনে করে মানবজাতির পতনের কার। তারা বলে হাওয়া (আঃ ) ভুলের কারণেই আদম (আঃ ) কে বেহেস্ত
থেকে বের করে দীয়েছেণ।

আমার কথা হোল তারা কতোটা মূর্খ হলে এমন কথা বলা সম্ভব . আল্লাহ কুরআন এ সুন্দরভাবে বলেছেন ছুঁড়া আড়াফ ,ছুঁড়া নং ৭,আয়াত নং ১৯ থেকে ২৭ আয়াত পর্যন্ত . এখাণে বলা আছে তারা একই সাথে দুজনই ভুল
করেছেন ,আবার দুজনই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন . তাই দায়ভার টা তাদের দুজনার উপর।

কিছু মুসলিম পুরুষ যারা নারীদের ছোট করার জন্য এইসব বিবৃত ছড়ায় ।পুরুষরা বলে ওদের পায়ের নিচে ইস্তিরির বেহেস্ত ।একটা বড় প্রমান দেখাই ।পুরুষদের চার বিয়ের বেপার নিয়ে ।পুরুষরা মনে করে ওরা নাকি
চার বিয়ে করতে পারবে।আরে বোকা পুরুষরা এটা তো কোন সাধারণ পুরুষদের বেলায় বলেনি ।কুরআন এর কিছু কিছু আয়াত এ সেটা তখনকার মানুষদের জন্য বলেছিলেন।
সুরা নং ৪,আয়াত নং -৩ আর যদি ভয় হয় যে ,মেয়ে এতিমদের প্রতি সুবিচার করতে পারবেনা,তবে বিয়ে করে নাও তাদের মধ্য হতে দুই,তিন,অথবা চারজন করে তোমাদের পছন্দ মতো ;তবে যদি সুবিচারের ভয় হয় একজন
অথবা অধিকারভুক্ত দাশিকে এতে অন্যায় না হাওয়ার সম্ভাবনা বেশি

যেসব পুরুষরা বলে যে নারির কোন ক্ষমতা নেই,নারির কোন সমান অধিকার নেই তারা কি তাহলে ঐ ইহুদির অনুসারী নাকি আল্লাহ এবং রাসুলের অনুসারী ।বেশিরভাগ মানুষী ভাবে নারি পুরুষ সমান নয় ।
বেশিরভাগ মুসলিম রা আন্দাজ অনুমানে বিশ্বাসী বেশি ।

সত্যিটা হল ইসলাম পুরুষ র নারির শব ক্ষেত্রে সমান অধিকার দিয়েছেন তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নারির অধিকার অনেক বেশি । রাসুল (সা 😉 সুন্নাত তো সবার জন্যই সমান হওয়। উচিত সুন্নাত তো সবার জন্য সমান
তাহলে ছেলেরা ৪টা বিয়ে করতে পারলে মেয়রাও পারবে